Monday , June 21 2021

কু’মা’রী মে’য়ে সে’জে ৩৪ ব’ছর ব’য়সে ১১ বি’য়ে হা’মি’দার! আ’রো ক’রার ই’চ্ছে আ’ছে!

প্রায় ডজন খানিক বিয়ে করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে ৩৪ বছর বয়সী হা’মিদা বেগমের বি’রু’’দ্ধে। একে একে ১১টি বিয়ে করলেও তিন-চার’টি ছাড়া অধি’কাংশ স্বা’মীর স’ঙ্গেই কো’নো প্র’কার বিয়ে বি’চ্ছেদ হয়নি হা’মিদার।
এলাকায় হা’মিদার পৈতৃক বা’ড়ি। বাবা মৃ’ত বালু মিয়া, মা মৃ’ত’ আবে’দা খাতুন। হা’মি’দার

বাবা ছি’লেন একজন চা দোকানি।
পারি’বারিক’ভাবে হা’মিদার প্রথম বিয়ে হয় গ্রা’মের প্রবাসী আল’মগীর মিয়ার স’ঙ্গে। অনুমান ১০ বছর সংসার করার পর হা’মিদা এলাকার ব্যবসা’য়ী ই’ব্রাহিম নামে এক ব্যক্তির স’ঙ্গে পর’কী’য়ায় জড়িয়ে প্রবাসী আ’লমগী’রকে তালাক দেয় এবং দেন’মোহর ও অন্যান্য পাওনা বাব’দ প্রায় নয় লক্ষ টাকা হা’তিয়ে নেয় হা’মিদা।

পরবর্তীতে ইব্রাহিমের স’ঙ্গে সংসার শুরু করে হা’মিদা। মাত্র এক’বছরে কৌশলে হা’মিদা নিজ পি’ত্রাল’য়ে নতুন ঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজের অজুহাতে ১০ লক্ষ ‘টাকার বেশি ইব্রাহিমের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়।
এরই মধ্যে এলা’কার বাপ্পী নামে এক ব্যব’সায়ীর স’ঙ্গে প’রকীয়া সম্পর্ক

গড়ে তো’লেন হা’মিদা। এরকিছু দিন পর দু’র্ঘ’টনায়’ ইব্রাহিম পা ভে’ঙে অসুস্থ হয়ে পড়লে, তাকে ছেড়ে হা’মিদা বেগম বাপ্পীর স’ঙ্গে নতু’নভাবে সংসার শুরু করে।
মাত্র কয়ে’কমাসে বা’প্পীর কাছ থেকে হা’মিদা মোটা অ’’ঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেও’য়ার পর বাসিন্দা রেজেক আলীর স’ঙ্গে আ’বারো নতুন’ভাবে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক গড়েন। পরবর্তীতে এসব অ’নৈতিক ক’র্মকা’ণ্ডের কারণে হা’মিদা গ্রা’মের থেকে কয়ে’ক বছর আগে বিতাড়িত হয়ে শহ’রে বাসা ভাড়া নিয়ে বিয়ে বা’ণিজ্য চালাতে থাকেন।

বিশে’ষ করে প্রবাসী ও ব্য”বসায়ীদের নানাভা”বে ফাঁ’দে ফেলে প্রথমে বিয়ে ছাড়াই তাদের স’ঙ্গে শা’রী”রিক স’ম্পর্ক গড়ে তোলেন হা’মিদা। পরে বিয়ে ছাড়া রাত্রিযাপনের অ’পরাধে মা’ম’লার ভয় দেখিয়ে ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা দেনমোহ’রে এসব ব্যক্তিদে’র রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন হা’মিদা। কিছুদিন পর সুযোগ বুঝে’ দে”নমোহরের পূর্ণ টাকা ও বিবাহ বিচ্ছেদকালীন স্ত্রীর ভ’রণপো’ষণ বাবদ আরো লক্ষা’ধিক টাকা আ’দায় করে এসব স্বামীদের তালাক দেন হা’মিদা।

সর্বশেষ ১০ নম্বর স্বামী জহিরুল ইসলামকে নিয়ে সংসার করা অবস্থায় গত ২৩ জুন জহিরুলের বন্ধু আবদুল্লাহ’কে বিয়ে করেছেন হা’মিদা। হাতিয়ে নিয়েছে জহিরুলের সবকিছু।
এদিকে বি’ষয়টি অনুসন্ধানে হা’মিদার একের পর এক বিয়ের কাবিননামাসহ বেশকিছু নথি প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। হা’মিদা বিয়ের প্রতারণার ফাঁ’দ ফেলতে ভুয়া ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট, বয়স কম দেখিয়ে জন্ম নিবন্ধন তৈরি ও অনৈ’তিক কাজে বিভিন্ন স্থানে নিজেকে রক্ষা করতে প্রথম স্বামীর নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় সনদপত্র করেছেন হা’মিদা।

এ বি’ষয়ে এলাকার জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী সহ সুশীল সমাজের বেশকয়েকজন জানান, হা’মিদার ব্যবসা হলো বিয়ে। দেনমোহরের টাকা হাতিয়ে নিতেই হা’মিদা একের পর এক বিয়ে করেই যাচ্ছেন। তার কারণে অনেক পরিবারে এখন শুধুই অশান্তি। অনেক মানুষ আজ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে হা’মিদা বেগম সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদককে বলেন, একাধিক বিয়ে এটি আমা’র ব্যক্তিগত জীবনের বি’ষয়। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের সবকিছু জানতে নেই ।

হা’মিদা দাবি করেন, একাধিক বিয়ে ও দেনমোহরের টাকা আ’দায়, এসব তিনি তার স্বামীর ইচ্ছাতেই করছেন। তার স্বামী তাকে দিয়ে এসব রোজগার করাচ্ছেন।
আপনার কোন স্বামী, আপনাকে দিয়ে এই অনৈ’তিক কাজগু’লো করাচ্ছেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে হা’মিদা বলেন, এসব জানতে হলে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে হবে। এটি জানিয়ে তিনি মুঠোফোনোর সংযোগ বিচ্ছিন’্ন করে দেন।