Monday , June 21 2021

অসম অ’বৈধ স’ম্পর্কে হেরে যাওয়ার ভ’য় থাকে !

বেঁচে থাকার জন্য প্রতিটি মানুষকে জীবিকার সন্ধান করতে হয়। তাই মানুষ কর্মব্যস্ত থাকে। সারাদিনের ব্যস্ততা,উপার্জন,খাওয়া- পরা মানুষের বাইরের রূপ। সারাদিনের কর্মক্লান্তির পর মানুষ যখন বাসায় ফিরে তখন তার মনোজগতের চাহিদা জাগ্রত হয়ে উঠে। একটু মানসিক শান্তির জন্য প্রিয়জনের সান্নিধ্য কামনা করে। এটা মানুষের জৈবিক চাহিদা। এই চাহিদার নিবৃত্তি সমাজে বৈধ- অ’বৈধ দুই উপায়েই হচ্ছে। অ’বৈধ স’ম্পর্ক গড়ে উঠে তিনটি কারণে। এক / ধ’র্মীয় মূল্যবোধের অভাবে দুই/ জৈবিক চাহিদার প্রয়োজনে তিন/ অর্থোপার্জনের নে’শায়। মে’য়েরা নিজের অবস্থা ভুলে ক্ষমতাধর কোটিপতির প্রে’মে পড়ে। বদলে যায় তার লাইফস্টাইল। দুচোখে লাগে নে’শার ঘোর। আনন্দের জোয়ারে ভাসতে থাকে। ছুটতে থাকে অর্থের পেছনে। খুব সহ’জে যে সুখ- আনন্দ আসে, তার পেছনে ক্রিয়াশীল থাকে বিষাদ। এই বোধ যতদিন মে’য়েদের মনে না জন্মাবে ততদিন ভালোবাসার নামে যৌ’নাচার চলতেই থাকবে। এমনকি আত্মহ’ত্যার মাধ্যমেই স’ম্পর্কের সমাপ্তি ঘটতে পারে।

অসম স’ম্পর্ক কখনো নারীর ম’র্যাদা দিতে পারে না। পুরুষের ভোগের খেলনা ছাড়া কিছুই নয় সে। মে’য়ে মধ্যবিত্ত ঘরের,তার উচ্চশিক্ষা নেই,পদম’র্যাদা নেই। শুধু রূপকে পুঁজি করে পুরুষকে দেহখানি সঁপে দেয়। একবারও ভাবে না সে কতটা ছোট,হেয়,অসম্মানিত। ক্ষমতাধর,কোটিপতির যৌ’নালীলার সামগ্রী সে। তার স্বল্পজ্ঞান,আবেগ,অ’পরিসীম বিশ্বা’স আর ভালোবাসা তাকে মৃ’ত্যু ছাড়া কী’ দিতে পারে? তার না আছে অর্থ, না আছে শিক্ষা, না আছে সামাজিক ম’র্যাদা। কোন ভরসায়,কোন বিশ্বা’সে ভ’য়ংকর পথে পা বাড়ায়? অ’তিমাত্রায় লো’ভ বিনাশের পথ তৈরি করে। বিনাশের পথে নারীর যাত্রাই অধিক। কজন পুরুষকে আত্মহ’ত্যা করতে শোনা যায়? কজন পুরুষই নারী কর্তৃক যৌ’নপীড়নের শিকার?

পত্রিকার পাতা,টিভি চ্যানেলে চোখ রাখলেই দেখা যায় নারী ধ’র্ষণ, নারীপাচার,নি’র্যাতন,খু’ন। কেন নারী লা’ঞ্ছিত হয়? ধ’র্ষিত হয়? কেন খু’ন হয়? কেন সে আত্মহননের পথ বেছে নেয়? কারণ পুরুষের ন্যায় সক্ষমতা তার নেই। পুরুষের সমকক্ষ সে হতে পারেনি। সমাজের ক্ষমতাধর,বিত্তবান পুরুষ নারীর দেহকে অর্থমূল্যে ভোগ করে। ভালোবাসা সেখানে শূণ্য। অথচ দেহসুখবিলাসী নারী অর্থপ্রাপ্তির নে’শায় বিভোর। অর্থ,বিত্তে,শিক্ষায়,পদম’র্যাদায় যতদিন নারী সমাজের বিশিষ্ট কেউ না হয়ে উঠবে ততদিন সে সমাজে নিরাপদ নয়। তার বিচরণের ক্ষেত্র ও অবাধ হবে না।

বিভিন্ন শহর ও রাজধানীতে অ’বৈধ স’ম্পর্কের অবাধ বিস্তার রয়েছে। যেকোনো বয়সের মে’য়েকে নিয়ে ধনীকশ্রেণির পুরুষদের এ লীলাখেলা চলছে। অবুঝ মে’য়ে জানে না ভালোবাসার মুখোশের আড়ালে মৃ’ত্যুর নৃত্য উৎসব কতটা উপহাসের! সে জানে না তাকে ভোগশেষে ছুঁড়ে ফেললে প্রতিবাদের ভাষা,অর্থ,ক্ষমতা কিছুই তার নেই। এই অবুঝ মে’য়েদের বাঁ’চাতে সমাজের কি কোনো দায় নেই? পার্ক,হোটেল যেন আইনি চোখের বাইরে রয়েছে। কঠোরভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। আজকাল বাসাও নিরাপদ আশ্রয় নয়। বাসার মালিকদের উচিত ভাড়া দেওয়ার সময় স’ম্পর্কের ধরন, নাম ঠিকানা,কাবিননামা জেনে নেওয়া। এতটুকু নৈতিকতা না থাকলে দেশে অরাজকতা দেখা দেবে।

অ’বৈধ স’ম্পর্ক সমাজবিবর্জিত। যে স’ম্পর্কের সামাজিক বৈধতা নেই, সেই স’ম্পর্ক ঝুঁ’কিপূর্ণ। যা সমাজ মানে না তা গো’পনে করতে যাওয়া পাপকাজে লিপ্ত হওয়া এবং ভ’য়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা। তাই বলি, নারী তুমি আগে নিজেকে প্রস্তুত করো। পুরুষের প্রতি আবেগ,ভালোবাসা দেখানো নিজস্ব দুর্বলতা। পুরুষের প্রতি এই দুর্বলতা দেখানো সর্বনাশের পথ খুলে দেওয়া। তাই নারীকে প্রজ্ঞাবান হতে হবে। সূক্ষ্মবুদ্ধি,গভীর চিত্তের অধিকারী হতে হবে। তাহলে একদিন পুরুষই নারীর অধীন হবে,আনুগত্য,বশ্যতা স্বীকার করবে।