Wednesday , April 21 2021

যে ৬টি কাজ বিয়ের পর প্রথম এক সপ্তাহে করবেন না!

বিয়ে যে কারোরই জীবনের অন্যতম গু’রুত্বপূর্ণ ঘ’টনা। এবং এই দাম্পত্য জীবনের সাফল্য নির্ভর করে অনেকগু’লি বিষয়ের উপর। এবং সেক্ষেত্রে বৈবাহিক জীবনের শুরুটা কীভাবে হচ্ছে সেটাও গু’রুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত ম্যারেজ কনসালটেন্ট অ্যানি পিয়ার্স এই বিষয়ে কয়েকটি জ’রুরি টিপস দিচ্ছেন। তিনি মনে করছেন, বিয়ের পর প্রথম এক সপ্তাহে কয়েকটি কাজ করা থেকে বিরত থাকাই ভাল।

এগু’লি না করলে দৃঢ় হয় স্বামী-স্ত্রীর স’ম্পর্কের ভিত্তি। কোন কাজ সেগু’লি? আসুন, জে’নে নিই—বিয়ে যে কারোরই জীবনের অন্যতম গু’রুত্বপূর্ণ ঘ’টনা। এবং এই দাম্পত্য জীবনের সাফল্য নির্ভর করে অনেকগু’লি বিষয়ের উপর। এবং সেক্ষেত্রে বৈবাহিক জীবনের শুরুটা কীভাবে হচ্ছে সেটাও গু’রুত্বপূর্ণ। বিখ্যাত ম্যারেজ কনসালটেন্ট অ্যানি পিয়ার্স এই বিষয়ে কয়েকটি জ’রুরি টিপস দিচ্ছেন। তিনি মনে করছেন, বিয়ের পর প্রথম এক সপ্তাহে কয়েকটি কাজ করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। এগু’লি না করলে দৃঢ় হয় স্বামী-স্ত্রীর স’ম্পর্কের ভিত্তি। কোন কাজ সেগু’লি? আসুন, জে’নে নিই—

১. বাড়িতে কোনও অতিথিকে কয়েকদিন কা’টিয়ে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জা’নাবেন না:

বিয়ের পর প্রথম কয়েকটি দিন স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে চিনে নেওয়ার সময়। সেই পর্বটিতে কোনও তৃতীয় ব্য’ক্তি প্রবেশ করে তাঁদের নিভৃতিটুকু ছিনিয়ে না নিলেই ভাল। বিয়ের পর বাড়িতে অতিথি আসতেই পারেন, কিন্তু ঘণ্টা দুই-তিন তিনি থাকলেন, আড্ডা মা’রলেন, চলে গে’লেন— এমনটা ঘটাই বাঞ্ছনীয়। পরিবর্তে তিনি যদি দীর্ঘ সময় নবদম্পতির স’ঙ্গে থাকেন, রাত্রেও বাড়িতে থেকে যান, তাহলে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে চিনে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় ছন্দপতন ঘ’টে। কাজেই বিয়ের পর প্রথম সপ্তাহটিতে কোনও অতিথিকে আমন্ত্রণ জা’নানোর ব্যাপারে একটু বিবেচক হোন।

২. নিজে’র স্বামী/স্ত্রীকে বাদ দিয়ে কোথাও বেড়াতে যাবেন না:

জ’রুরি কাজে কিংবা পেশাগত প্রয়োজনে বিয়ের পরে-পরেই শহরের বাইরে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতেই পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে চেষ্টা করুন নিজে’র স্বামী বা স্ত্রীকে স’ঙ্গে নিয়ে যাওয়ার। সদ্যবিবাহিত অব’স্থায় স্বামী বা স্ত্রীর বিরহ যে-কারোরই অসহ্য বোধ হবে। সেই কষ্টটুকু তাঁকে না দিতে পারলেই ভাল। একান্তই যদি নিজে’র স্ত্রী বা স্বামীকে স’ঙ্গে নিয়ে যেতে না পারেন, তাহলে চেষ্টা করুন অফিসিয়াল অ্যাসাইনমেন্টটিকে হপ্তখানেকের জন্য পিছিয়ে দিতে।

৩. বাড়ির আসবাবপত্রে কোনও ব্যা’পক পরিবর্তন আনবেন না:

বিয়ের পরে যিনি আপনার স্ত্রী হয়ে আপনার বাড়িতে আ’সছেন, তাঁকে এমনিতেই অজস্র অ্যাডজাস্টমেন্ট ক’রতে হচ্ছে। এবং এই অ্যাডজাস্টমেন্টের ক্ষেত্রে প্রধান সহায়ক হতে পারেন অবশ্যই আপনি নিজে। এই অব’স্থায় যদি বাড়ির আসবাবপত্র পাল্টানো কিংবা বাড়িটিকে রেনোভেট করার মতো কাজক’র্ম শুরু করেন, তাহলে আপনি নিজেই নিজে’র বাড়িতে অস্বচ্ছন্দ বোধ করবেন। সেক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর পক্ষে আপনার বাড়িতে মানিয়ে নেওয়া আরও ক’ঠিন হবে।

৪. বিয়ের অনুষ্ঠানে কী ঘ’টে গিয়েছে তা নিয়ে ঝগড়া করবেন না:

মনে রাখবেন, বিয়ের অনুষ্ঠান এখন অতীত। কাজেই সেই অনুষ্ঠানে কেন আপনার স্ত্রী লাল শাড়ির বদলে গোলাপি শাড়ি পরলেন, কিংবা কেন তিনি আপনার মেসোমশাইয়ের স’ঙ্গে একটু কম হেসে কথা বললেন— এই জাতীয় বিষয় নিয়ে অনুগ্রহ করে বিয়ের পর ঝগ়ড়া করবেন না। এতে স’ম্পর্ক তিক্ত হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকবে।

৫. তড়িঘড়ি হানিমুনে যাবেন না:

অনেক দম্পতিই বিয়ে সেরেই হানিমুনে দৌড়ন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নববিবাহিতদের পারস্পরিক অ্যা়ডজাস্টমেন্টের সবচেয়ে অনুকূল প’রিস্থিতি তৈরি হতে পারে নিজেদের বাড়িতেই। নিজে’র বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যেই পরস্পরকে মা’নসিক ও শা’রীরিক ভাবে চিনে নেওয়ার কাজটা সহজ হয়। কাজেই বিয়ের প্রথম সপ্তাহটি নিজে’র বাড়িতেই কাটান। হানিমুনের অঢেল সময় তার পরেও পাবেন।

৬. অল্পেই হাল ছেড়ে দেব‌েন না:

বিয়ের পরে-পরেই ছোটখাটো বিষয়ে মনোমালিন্য বা অশান্তি হতেই পারে। কিন্তু তা থেকেই যদি সি’দ্ধান্ত নিয়ে ফে’লেন যে, আপনার স্বামী বা স্ত্রী একেবারেই আপনার উপযুক্ত নন, কিংবা বিয়ে করে আপনি একেবারে ঠকে গিয়েছেন, তা হলে ভুল করবেন। সুখী দাম্পত্য জীবন অর্জন ক’রতে হলে অনেক পরিশ্রম ক’রতে হয়, আত্মত্যা’গ ক’রতে হয়, সর্বোপরি ধৈর্যশীল হতে হয়। কাজেই অল্পেই হাল ছেড়ে হ’তাশাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন না। ধৈর্য রাখু’ন, জীবনে সুখ আসবেই।