Monday , March 1 2021

হানিমুন বাদ দিয়ে সমুদ্র পরিষ্কারে নামলেন নবদম্পতি

বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে এক ন’বদম্পতি হানিমু’ন বাদ দিয়ে নামলেন সৈকতের আ’ব’র্জনা প’’রিষ্কারে। কাজটি করলেন বিয়ের পোশাকে, যাতে করে মানুষের ন’জরে আসেন এবং অন্যরা পরিবেশ প’রিষ্কার রাখতে উদ্বুদ্ধ হন।

সদ্য বিয়ের পর সমুদ্রবিলাসে যাবার সি’দ্ধান্ত নেন মো. তারেক আজিজ ও জান্নাতুল বাকেয়া মিলি দ’ম্পতি। স’ঙ্গে বিয়ের পো’শাক। তবে এ এক ভিন্ন বিলাস, যেখানে নিজেদের ভালোবাসা তারা ভাগ বাটোয়ারা করেন প্রকৃতির স’ঙ্গে।

অন্য মানুষের ফে’লে যাওয়া আ’বর্জনা প’রিষ্কারে নেমে প’ড়েন কক্সবাজারের সৈকতে। খোঁ’জ নিয়ে যানা গে’ছে এই দম্পতির বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে।

বিয়ের রাতে যখন ন’বদম্পতিরা ভবিষ্যৎ সুখি জীবনের গল্প সাজাতে ব্যস্ত থাকেন, তখনই এমন একটি উ’দ্যোগ নেবার সি’দ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারেক-মিলি দম্পতি। গেলো ৩ আগস্ট বিয়ে হয় ২৮ বছর বয়সী তারেক ও ২০ বছর বয়সী মিলির। আর ৫ আগস্ট সমুদ্র সৈকতের পরিচ্ছন্নতা অ’ভিযানে নামেন তারা।আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেয়া সা’ক্ষাৎকারে তারেক বলেন, ‘চারদিন ছিলাম। প্রতিদিনই বিচে ময়লা আবর্জনা প’রিষ্কার করে সেখানে ক’র্তৃপক্ষের দেয়া নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফে’লেছি। এমন চার পাঁচ বস্তা ম’য়লা সংগ্রহ করেছি৷’

কাজে’র ফাঁ’কে ‘ক্লিন ওয়া’র্ল্ড, গ্রিন ওয়ার্ল্ড’ প্ল্যাকার্ড নিয়ে ছবি তোলেন তারেক ও মিলি। মূল লক্ষ্য ছিল স’চেতনতা তৈরি। ‘আমি মূলত সবাইকে স’চেতন ক’রতে চেয়েছি। সেই উদ্দেশেই এই কাজ করা,’ বলেন তারেক।স্বামী-স্ত্রী দু’জনই সমাজসেবার কাজ ক’রেছেন আগেও। নানান সেবামূলক সংগঠনের স’ঙ্গে ছিলেন যুক্ত। স’ম্প্রতি জাগো ‘ফাউন্ডেশনের অ’ঙ্গ সংগঠন ভ’লান্টিয়ার ফর বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের সহ-সভাপতি হিসেবে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করে যাচ্ছেন। ক’রোনার লকডাউনের সময় মানুষকে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন। পৃথিবীটা আগের মত সুন্দর হোক, প’রিষ্কার থাকুক, এতটুকুই চাওয়া তাদের।সূত্র: ডয়েচে ভেলে